hbji-র গল্প — কীভাবে শুরু, কোথায় এসেছি
২০১৮ সালে যখন hbji যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের দুনিয়াটা অনেকটা অপরিচিত ছিল। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি জটিল। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ যারা বেটিং করতে চাইতেন তারা প্রায়ই ঠকতেন বা হয়রান হতেন।
hbji-র প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও সেই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছেন। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো — একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে। সেখান থেকেই hbji-র শুরু।
hbji-র প্রতিশ্রুতি: আমরা কখনো ব্যবহারকারীর জমা করা অর্থ আটকে রাখি না, অডস কারসাজি করি না এবং যেকোনো অভিযোগ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করি। এটা আমাদের লিখিত প্রতিশ্রুতি।
বাংলাদেশের বেটিং বাজারে hbji কেন আলাদা?
বাংলাদেশে অনেক বেটিং সাইট কাজ করে, কিন্তু hbji তাদের থেকে কয়েকটি মৌলিক কারণে আলাদা। প্রথমত, আমরা বাংলা ভাষাকে আমাদের প্রথম ভাষা হিসেবে রেখেছি — ইন্টারফেস থেকে গ্রাহক সেবা সব কিছু বাংলায়। দ্বিতীয়ত, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট আমাদের সাইটে সবচেয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে — ব্যাংকে যেতে হয় না, ডলারে হিসাব করতে হয় না।
তৃতীয়ত, hbji ক্রিকেটকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বিপিএল মৌসুমে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচে, এশিয়া কাপে — hbji-তে সবচেয়ে বেশি মার্কেট থাকে, সবচেয়ে দ্রুত অডস আপডেট হয়। কারণ আমরা জানি বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটা আবেগের বিষয়।
নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার
hbji-তে প্রতিটি বেটিং মার্কেটের অডস নির্ধারণ করা হয় স্বয়ংক্রিয় অ্যালগরিদমের মাধ্যমে, কোনো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া। লটারির ড্র হয় সার্টিফাইড Random Number Generator-এ। ক্যাসিনো গেমগুলো তৃতীয় পক্ষের অডিটর দ্বারা নিয়মিত পরীক্ষিত।
আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে ব্যবহারকারীর জমানো অর্থ সবসময় আলাদা অ্যাকাউন্টে সুরক্ষিত থাকে — hbji-র ব্যবসায়িক অর্থ ও ব্যবহারকারীর অর্থ কখনো মেশানো হয় না। এই নীতিটা অনেক বড় প্ল্যাটফর্মও মানে না, কিন্তু আমরা শুরু থেকে মানি।
দায়িত্বশীল গেমিং — আমাদের অগ্রাধিকার
hbji মনে করে বেটিং একটি বিনোদন, জীবিকার উপায় নয়। তাই আমরা প্রতিটি ব্যবহারকারীকে তাদের নিজের সীমা নির্ধারণের সুযোগ দিই। দৈনিক ডিপোজিট সীমা, সাপ্তাহিক বেটিং সীমা, এমনকি সাময়িক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সুবিধাও আছে।
যদি মনে হয় বেটিং আপনার স্বাভাবিক জীবনে প্রভাব ফেলছে, তাহলে আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং পেজে গিয়ে সাহায্য নিন। আমাদের সাপোর্ট টিম এ বিষয়ে সবসময় সাহায্য করতে প্রস্তুত।
আমাদের সংখ্যা: ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত hbji-তে ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৫০,০০০-এর বেশি ব্যবহারকারী সক্রিয় থাকেন। মোট পুরস্কার বিতরণের পরিমাণ ইতিমধ্যে কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
ভবিষ্যতে hbji কোথায় যাচ্ছে?
hbji আগামী দুই বছরে বেশ কয়েকটি নতুন ফিচার যোগ করার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে আছে — ভার্চুয়াল ক্রিকেট, আরও বেশি ই-স্পোর্টস মার্কেট, উন্নত ভিআইপি প্রোগ্রাম এবং একটি ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ। বাংলাদেশের বেটিং অভিজ্ঞতাকে বিশ্বমানে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
আমরা জানি পথটা এখনো লম্বা। কিন্তু আমাদের ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস ও ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতিটি নতুন সদস্য আমাদের পরিবারের অংশ হয়ে যান — hbji-তে স্বাগতম।